টিকটক এ ভাইরাল হতে চাইলে যে কাজগুলো করতে পারেন এবং Tiktok নতুন কিছু Algorithm সম্পর্কে জানুন।

Diskbd.com


টিকটক এ ভাইরাল হতে চাইলে যে কাজগুলো করতে পারেন এবং টিকটকের নতুন কিছু অ্যালগরিদম সম্পর্কে জানুন।


অনেকেই আমাদের আগের আর্টিকেলে নিচে কমেন্ট করেছিলেন যে টিকটক এ কিভাবে খুব তাড়াতাড়ি ভাইরাল হওয়া যায় এবং কি কি কাজ করার মাধ্যমে খুব তাড়াতাড়ি টিকটকে অনেক বেশি সফলতা পাওয়া যায় এ সম্পর্কে একটা পোস্ট লেখার জন্য।


তো তাদের কথা চিন্তা করে আমি আজকের এই পোস্টে টিক টক এ ভাইরাল হওয়ার বেশ কয়েকটি টিপস দিব এবং টিকটকের অ্যালগোরিদম সম্পর্কে কিছু আইডিয়া দিব যে এটা কিভাবে কাজ করে এবং এই  টিপস গুলো যদি আপনারা মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে অনেকটাই কাজে আসবে ভাইরাল হওয়ার জন্য।


বর্তমান সময়ে টিকটক একটি জনপ্রিয় অ্যাপ তবে এই অ্যাপের জন্য অনেক ধরনের সমস্যাও আমরা দেখি সমাজে।  আবার অনেকে এই অ্যাপটা থেকে অনেক বিনোদনও নেয় ইনজয় করে।  আর আমাদের বর্তমান সমাজের ছেলে মেয়েরা টিকটক ভিডিও বানাতে একটু বেশিই মজা পায় বা পছন্দ করে। আমাদের সমাজে শুধু উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের কথা বললে ভুল হবে এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ছোট থেকে বড়, বয়স্ক থেকে একেবারে মুরুব্বী এমনকি ৬০-৬৫ বছরের বুড়া মানুষও কিন্তু এখন টিকটক এ ভিডিও বানায়। যাইহোক আজকের আলোচ্য বিষয় সেটা না।

এটা নিয়ে আমরা অন্য আরেকদিন আরেকটা পোস্ট লিখব যে টিকটকের কারণে আসলে আমাদের সমাজে কতটুকু উপকার হচ্ছে আর কতটুকু অপকার হচ্ছে।  জানার জন্য আমাদের diskbd.com সাইটের সাথেই থাকবেন।


যাই হোক আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয় এটা যে কিভাবে টিকটক ভিডিও বানালে একটি খুব তাড়াতাড়ি ভালো রেসপন্স পাবেন এবং ভিডিও খুব তাড়াতাড়ি ভাইরাল হবে এই নিয়ে আমরা নিচে উল্লেখিত বেশ কয়েকটি কারণ এবং অ্যালগরিদম সম্পর্কে টিপস দিব যা অবশ্যই মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে।


১. ট্রেন্ডিং গান, ডান্স, সাথে ভিডিও বানিয়ে আরো ভাইরাল হতে পারেন। যেমনঃ


যারা বাংলাদেশে থাকেন অন্তত এতোটুকু জানেন যে একেক সময় একেকটা জিনিস ভাইরাল হয়ে থাকে বাংলাদেশে অর্থাৎ কোনো না কোনো ইস্যু ট্রেনডিং এ থাকেই। তো ওই ট্রেন্ডিং জিনিস নিয়ে যদি আপনি আবার ভিডিও বানান তাহলে কিন্তু ভাইরাল হওয়ার চান্স আরো বেশি আর যদি সেটা টিকটকে হয় তাহলে তো কোন কথাই নেই। আর টিকটকের যেকোনো ধরনের ভিডিও বানান না কেন সেটা অবশ্যই ট্রেন্ডিং হলে আপনার জন্য ভাইরাল হওয়া আরো সহজ হয়ে যাবে আর বর্তমান সময়ে যারা বর্তমানে টিক টক এ ভাইরাল সেলিব্রিটি তারা প্রত্যেকে কিন্তু বিভিন্ন কোনো-না-কোনো ট্রেন্ডিং বিষয় নিয়ে ভিডিও বানিয়ে ভাইরাল হয়েছে!

কেউ হয়তো তাদের কথার মাধ্যমে কেউ হয়তো নিজের ক্রিয়েটিভিটি দেখানোর মাধ্যমে, আবার এখনতো অধিকাংশ মেয়ে বিভিন্নভাবে বুঝতেই পারছেন আশা করি এ সম্পর্কে আর কোন কিছু বলা লাগবে না।


তো যাই হোক এককথায় যেই জিনিসটা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আসছে সেটা হচ্ছে ওয়াচটাইম আপনার টিকটক ভিডিওতে যত পরিমাণ ওয়াচ টাইম বেশি আসবে টিকটক অ্যালগরিদম সেটাকে তত বেশী মানুষের সামনে আপনার ভিডিওটা সাজেস্ট করে দেবে এবং তত বেশি আপনি ভাইরাল হওয়ার চান্স বারবে। 



২. আপনার টিকটক ভিডিও গুলোর ওয়াচ টাইম এবং অ্যালগোরিদমের কিছু আন্ডারস্ট্যান্ডিং।


টিক টক এ ভাইরাল হতে চাইলে আপনাকে যেমন ভিডিও বানাতে হবে তেমনি ভিডিওতে ওয়াচ টাইম আনতে হবে। টিক টক ভিডিওর ভিতর যে ওয়াচ টাইম  অ্যালগরিদম আছে সেই ওয়াচ টাইম টাইমকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পেছনে। আপনারা এটা হয়তো জানেন যে টিকটকের একটি অ্যালগরিদম আছে সেই অ্যালগরিদম এর কাজ যদি একটি ভিডিও 30 সেকেন্ডের হয়, সেই 30 সেকেন্ড ভিডিওর ভিতর কতজন মানুষ ফুল ভিডিওটা দেখেছে এবং কতজন মানুষ মাত্র 2,3 বা 5 সেকেন্ড দেখে চলে গেছে ওইটার উপর ডিপেন্ড করে আপনার ভিডিওটা কতজন মানুষের সামনে ইম্প্রেশন হবে, আর কতজন মানুষ সেই ভিডিওটা দেখবে। যদি আপনার ভিডিওতে অনেক বেশি আসে তাহলে মনে করবেন যে এই ভিডিওটার ওয়াচটাইম অনেক বেশি এসেছে যার কারণে টিকটকের অ্যালগোরিদম এটাকে অনেক বেশি মানুষের কাছে ইম্প্রেশন দিয়েছে অর্থাৎ দেখিয়েছে এবং সেখান থেকেই এত পরিমান লাইক কমেন্ট আসছে! মাঝখানে আমি আরো কিছু কথা বলে রাখি ওয়াচ টাইম এর ব্যাপারে নরমালি যে সমস্ত ভিডিওতে ওয়াচ টাইম অনেক বেশি আসে তার একশ্রেণীর ভিডিও বলা হচ্ছে যে বললাম যে মানুষ অনেক বেশি একটিভ হয় এবং মানুষের মন জয় করার মত কিছু ভিডিও থাকে যে ভিডিওগুলো মানুষ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেন এই ভিডিও যদি এক মিনিটেরও হয় তবুও মানুষ সম্পূর্ণ ভিডিওটা দেখবে এরকম ধরনের ভাল কনটেন্ট যদি আমি টিক টকে দিতে পারেন তাহলে আপনার অনেক বেশি অস্টেম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


এক কথায় বলা চলে এই যে টিকটক এ যদি আপনি ভাইরাল হতে চান তাহলে আপনাকে এমন কিছু কাজ করতে হবে যেই কাজটা মাত্র 10 সেকেন্ডের ভিতর যেন 10 সেকেন্ডই পাবলিক দেখে এবং যত বেশি ওয়াচ টাইম পাবেন তত বেশি আপনার ভিডিওটা ভাইরাল হওয়ার চান্স থাকবে। এক কথায় ওয়াচ টাইমই হচ্ছে টিকটক অ্যালগোরিদমের মনজিনিস ভাইরাল হওয়ার পিছনে।



৩. খাইডি ফ্রিজ বা বন্ধ হয়ে গেলে কি করবেন এবং কেন টিকটক আইডি ইউজ হয়?


আপনারা যারা মোটামুটি টিক টক অ্যাপ ব্যবহার করেছেন তারা হয়তো অনেকেই জানেন যে টিক টক এ কোন স্প্যাম অথবা ইল্লিগ্যাল' কোন কাজ করলে সেটার জন্য টিকটক আইডি ফ্রিজ হয়ে যায় অথবা বন্ধ করে দেয়! যদি আপনার আইডিটি ফ্রিজ করা হয় তাহলে বুঝে নিবেন যে আপনি একসাথে অনেক পোস্ট হয়তো ডিলিট করে দিয়েছেন অথবা আপনার ভিডিওটি ঠাক মত হচ্ছে না ভিডিওতে কোন ধরনের সমস্যা আছে ভিডিওতে ভালবাসতাম আসছে না আপনি তখন ফিন্ডিং বিষয় নিয়ে দশ-বারোটা ভিডিও বানান আশা করি এই সমস্যা থেকে সমাধান পেতে পারেন।


আর আপনার আইডি যদি বন্ধ করে দেয় তাহলে ভেবে নিবেন যে আপনি এমন কোন স্পামিং করেছেন অথবা কোন ধরনের কপিরাইট সামগ্রী ব্যবহার করেছেন আপনার টিকটক ভিডিও তে এর জন্য আপনার অ্যাকাউন্টটি বন্ধ হতে পারে অথবা এমন কোন কিওয়ার্ড অথবা # ট্যাগ ব্যবহার করেছেন যেটা টিকটকের পলিসির বাইরে। হতে পারে এর জন্য আপনার আইডিটি বন্ধ করা হয়েছে! আইডিয়া একবার যদি বন্ধ করে দেয় তাহলে করার কিছু থাকবে না নতুন করে আবার আইডি খুলতে হবে তো এর জন্য বলি যে আপনারা সবসময় নিয়ম কারণ মেনে তারপর যেকোন কিছুই ব্যবহার করবেন হোক সেটা টিকটিকি অথবা ইউটিউব।


আর এটা হয়তো আপনারা জানেন যে প্রত্যেকটা অ্যাপ যারা বানিয়েছে এবং সেই অ্যাপ এর পিছনে কিন্তু কিছু নিয়ম কারণ দেওয়া আছে এবং গাইডলাইন দেয়া থাকে আপনি আপনার নিজের মত করে যদি ইউজ করেন তাহলে তো অবশ্যই সেগুলোতে রেস্ট্রিকশন পড়বে আর যদি নিয়ম কারণ মেনে চলেন তাহলে কোন সমস্যাই হবে না আপনি আরামসে এই অ্যাপ গুলো ব্যবহার করতে পারবেন আর যদি নিয়ম ভঙ্গ করেন তাহলে তো আইডিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে।


সর্বোপরি ধন্যবাদ সবাইকে টিক টক এ ভাইরাল কিভাবে হতে হয় এই নতুন পোস্টিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য এবং আপনারা হয়তো শুনে অবাক হবেন এবং খুশি হবেন যে আমাদের এই ডিস্ক বিডি ডটকম সাইট এর ভিতরে এরকম অনেক ভিডিও আছে অনেক পোষ্ট আছে যে পোস্ট গুলো পড়লে আপনার নতুন কিছু জানতে পারবেন এবং শিখতে পারবেন তো এখনই রিসেন্ট পস্ট গুলা চেক করুন এবং নিজে জানুন অন্যকে শেখান।


ধন্যবাদ সবাইকে।

Post a Comment

Previous Post Next Post

Ads in post 4

Ads in post 5