20 থেকে 25 হাজার টাকার ভিতরে বাংলাদেশে এখন অফিশিয়ালি অ্যাভেলেবল টপ 5 টি ফোন!




20 থেকে 25 হাজার টাকার ভিতরে বাংলাদেশে এখন অফিশিয়ালি অ্যাভেলেবল টপ 5 টি ফোন! 


আসসালামু আলাইকুম সুপ্রিয় পাঠক।


আজকে আমি আপনাদেরকে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুইটেবল প্রাইস ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার ভিতরে অফিসিয়ালি এভেইলেবেল এমন ৫ টি স্মার্টফোনের সন্ধান আপনাদের কে দিব যেগুলো ভ্যালু ফর মানি হবে আপনার জন্য।


বাংলাদেশি কিন্তু আমরা সবচেয়ে বেশি 15 থেকে 20 হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ 20 এবং 25 হাজার টাকার ভিতরে সবচেয়ে বেশি ফোন কিনে থাকি এবং এই প্রাইস রেঞ্জের ভিতরে সবচেয়ে বেশি স্মার্টফোন বিক্রি হয়। অন্তত বাংলাদেশে। আপনাদের এর আগের পোস্টে অনেকেই রিকমেন্ডেশন চেয়েছিলেন যে 20 থেকে 25 হাজার টাকার ভিতরে সবচেয়ে বেস্ট পাঁচটি অফিশিয়ালি এভেলেবেল বর্তমানের রানিং বাংলাদেশে এমন ফোনগুলো রিভিউ করার জন্য। আজকের এই পোস্ট টা সম্পূর্ণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে বুঝতে পারবেন সবচেয়ে ভালো হবে যে পাঁচটি ফোন 20 থেকে 25 হাজার টাকার ভিতরে।


20 থেকে 25 হাজার টাকার ভিতরে বাংলাদেশে এখন অফিশিয়ালি অ্যাভেলেবল টপ 5 টি ফোন! 



  • ১/ 15 থেকে 25 হাজার টাকার ভিতরে সবচেয়ে বেস্ট ফোনের তালিকার প্রথম যে ফোনটি আছে সেটি হচ্ছে "Xiaomi Realmi 8" যেটার অফিশিয়ালি প্রাইস বর্তমানে 23 হাজার টাকা! এই ফোনটিতে আপনারা পাবেন 6 জিবি র্যাম এবং 128 জিবি ফোন মেমোরি! বড় Ram বড় Storage Capacity .  এই ফোনটা অলরেডি আমার খুব পছন্দের একটি ফোন, এবার  আসি এই ফোনের  Display Section এ এই ফোনটিতে 6.4 inch এর super amoled display  ব্যবহার করা হয়েছে যেটা সবাই চাই এবং প্রত্যেকের পছন্দও বটে। কেননা স্যামসাংয়ের প্রত্যেকটা ফোনে কিন্তু সুপার এমোলেড হয়ে থাকে এবং এর কোয়ালিটি ও ডিসপ্লে ডেনসিটি অসাধারণ এবং যেটা টাচ করে অনেক মজা পাওয়া যায়। এবং এই ফোনটিতে আন্ডার ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ব্যবহার করা হয়েছে যেটি সুপারফাস্ট এই প্রাইস রেঞ্জে.। শুধু এই ফোনের একটা সমস্যা আছে সেটা হচ্ছে এই ফোনের পিছনে বড় করে ডিজাইন করে লেখার "ডিয়ার টু লিভ" এই কথাটা।। লেখাটা কিন্তু অনেকেরই ভালো লাগে না এবং পিছনে বড় করে টেক্সট আকারে লেখা থাকার কারণে এই ফোনটার ডিজাইন এর অনেক সমস্যা মনে হতে পারে অনেকের কাছে।  তবে ফোনের ইন্টারনাল হার্ডওয়ার সেগুলো কিন্তু খুবই অ্যাট্রাক্টিভ অন্তত এই প্রাইস রেঞ্জের ভিতরে। তবে এই টেক্সট আকারে ডিজাইন টা যদি আপনি স্কিপ করতে পারেন তাহলে কিন্তু এই ফোনের ডিজাইনটা আপনার কাছে খুবই চমৎকার লাগবে।

খুবই স্লিম একটি ফোন যেটি হাতে নিয়ে খুবই প্রিমিয়াম ফিল করবেন। এটার বিল্ড মেটেরিয়াল ও মোটামুটি ভালো সেইসাথে এটাতে Media Tech Helio G95 Possessor ইউজ করা হয়েছে যেটা গেমিং এর জন্য হেবি পাওয়ারফুল। তবে আপনি যদি মিডিয়াটেকের প্রসেসর অপছন্দ করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য নেক্সটে আমাদের স্নাপড্রাগণ ওয়ালা আরও ফোন আছে।  যেগুলো জানার জন্য আপনাকে নিচের চারটি সেটের ডিটেলস পড়তে হবে।

আর স্পেশালি যদি আপনি গেমিং এর জন্য ফোন কিনেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে Media Tech Helio এর মত পাওয়ারফুল g95 প্রসেসর টি আপনি নির্দ্বিধায় ইউজ করতে পারেন। এবার আসি ক্যামেরা সেকশনে এই ফোনটিতে 4 টি ক্যামেরা পাবেন যার প্রথম প্রাইমারি ক্যামেরা ৬৪ মেগাপিক্সেল এর, যেটা দিয়ে আপনি খুব ভালো মানের ছবি তুলতে পারবেন এবং এই ক্যামেরা দিয়ে তোলা কয়েকটি ছবির স্যাম্পল আমরা আরেকটি পোস্টে দিয়ে দিব।

তবে এই ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিগুলো আমার কাছে একটু অতিরিক্ত সার্প মনে হয়েছে এবং একটু  Oversaturated বলে মনে হয়েছে., আপনারা ছবি তুললে বুঝতে পারবেন যে আসলে ছবির কোয়ালিটি কেমন!  তবে সব মিলিয়ে ছবির এবং ক্যামেরার কোয়ালিটি আমার কাছে এভারেজ মনে হয়েছে তাছাড়া এই ফোনটিতে 5000mh এর বিশাল ব্যাটারি ইউজ করা হয়েছে..



  • 2/ এর পর আছে Xiomi Redmi note 10 এবং Xiomi Redmi note 10s. এই দুইটা ফোনের প্রাইস 23 হাজার টাকা। Same price হলেও দুইটাতে কিন্তু আহামরি ব্যবধান নেই প্রায় সেম কনফিগারেশনে ই. চলুন বিস্তারিত জানি।
        বর্তমানে এই ফোনটির 6 জিবি RAM এবং 128gb ফোন মেমোরি এই ভিডিওটা পেয়ে             যাবেন মাত্র 23 হাজার টাকায়! একটু আগে বলেছিলাম যারা হচ্ছে মিডিয়াটেকের প্রসেসরকে পছন্দ করেন না তাদের জন্য হচ্ছে এই ফোনটি এই ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকম্ম স্ন্যাপড্রাগন 678 জিটি 11 ন্যানোমিটারের তৈরি প্রসেসর এই ফোনটিতে ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ফুল এইচডি প্লাস সুপার এমোলেড একটি ডিসপ্লে যার  রেজুলেশন হচ্ছে 1080 ইনটু 2400  পিক্সেল, এর Density হচ্ছে 409 ppi.। তবে এতে ভালো ব্যাপার হচ্ছে এর ডিসপ্লে প্রটেকশন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কর্নিং গরিল্লা গ্লাস 3 এর প্রটেকশন যা আপনাকে রাফ অ্যান্ড টাফ ইউজ করার সুযোগ দিবে। এবং আরো একটি কথা এই ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 5000mh এর লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি। এই ফোনটির ওজন হচ্ছে 178 গ্রাম।  তাছাড়া এই ফোনটি কিন্তু একটু ডিজাইনের দিক দিয়ে ডিজিটাল করা হয়েছে কারন আপনারা জানেন যে বর্তমান সময়ে ফোনের ব্যাক সাইডে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং আন্ডার ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর থেকেও বেশি জনপ্রিয় সাইট মাউনটেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট যেটা আপনারা এই সেটে পেয়ে যাবেন। এটি হবে আপনার জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট। তাছাড়া প্রাইস এটার ভিতর দুইটি সিম কার্ড এবং একটা ডেডিকেটেড এসডি কার্ড ইউজ করতে পারবেন যেটা 512 জিবি পর্যন্ত এক্সপেন্ডেবল। রব সিম কনফিগারেশন শাওমি রেডমি নোট টেন এস এর ক্ষেত্রেও তাই ওটার জন্য আর আলাদা লিখলাম না।




  • ৩/ আমাদের লিস্টের তিন নাম্বারে যেই ফোন টি আছে সেটি হচ্ছে শাওমির সব ব্র্যান্ড Poco  এর "Poco M2 Pro"  এই ফোনটির 6 জিবি রেম এবং 64 জিবি ফোন মেমোরি দাম মাত্র 23 হাজার টাকা অর্থাৎ উপরের দুইটি ফোন দেখেছেন সিম্প্লে কিন্তু আপনি এই ফোনটির পেয়ে যাবেন এই ফোনটির ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন রকম ভাবে আমরা আলোচনা করব কেননা এই ফোনটিতে স্ন্যাপড্রাগন এর পাওয়ারফুল একটি প্রসেসর ইউজ করা হয়েছে যেটা হচ্ছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন এর 720g এবং এটা পাওয়ারফুল হওয়ার আরেকটি কারণ এ প্রসেসরটি তৈরি করা হয়েছে এইট ন্যানোমিটার আপনারা জানেন যে প্রসেসর যত কম ন্যানোমিটার তৈরি করা হবে প্রসেসর এর পাওয়ার এবং কার্যক্ষমতা তত বেশি হবে. তোর জানা একটি গেমিং এবং long-lasting একটি ফোন চাচ্ছেন তারা এই ফোনটি নিতে পারেন. । তাছাড়া এই ফোনটিতে আপনারা পেয়ে যাবেন কোয়ার্ড সেটার প্রাইমারি ক্যামেরাটি হচ্ছে 48 মেগাপিক্সেলের এবং 8 মেগাপিক্সেল এর একটি আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা পাবেন।  সাথে 2 মেগাপিক্সেলের ডেপ্থ সেন্সর।  এবং এর ডিসপ্লে নিয়ে যদি আমরা কথা বলি তাহলে কিন্তু এখানে চমৎকার একটা ডিসপ্লে আপনারা পাবেন পয়েন্ট 6.67 ইঞ্চির একটি বিশাল ডিসপ্লে যার রেজুলেশন হচ্ছে 1080×2400 Pixel ফুল এইচডি প্লাস এবং এর পিক্সেল ডেনসিটি হচ্ছে 395 ppi.. 

 আমি এই ফোনটিকে প্রায় দুই সপ্তাহ মতো ইউজ করার সুযোগ পেয়েছি ফোনটি খুবই চমৎকার এবং প্রিমিয়াম লোক দিবে আপনাকে এই ফোনটিতে ওটিজি সাপোর্ট পাবেন প্লাস ইউএসবি type-c আছে এবং অটো কল রেকর্ডিং এর অপশন গুলো কিন্তু এই সেটে পাবেন এই ফোনটি আপনারা তিনটা ভেরিয়েন্ট একটা হচ্ছে সবুজ এবং আরেকটা হচ্ছে কাল এবং হালকা সাদা রঙের মিশ্রণ এর একটি কালার. সবচেয়ে ভালো লাগে সবুজ কালারের গ্রেডিয়েন্ট আপনারা এই ফোনটিতে সাইট মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাবেন যেটা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ট্রেন্ডিং এবং প্রফেশন. . এই ফোনটার সাউন্ড নিয়ে আমার একটু অভিযোগ আছে এই ফোনটির সাউন্ড ফুল বাড়িয়ে দিলে সাউন্ড টা হালকা ফেটে যায় যদি বেশি লাউড দেন এছাড়া কিন্তু ফোনটা মোটামুটি সব দিক দিয়েই পারফেক্ট আছে এবং যদি রোদের আলোতে সরাসরি মোবাইল টা চালান তাহলে ব্রাইটনেস কিছুটা কম মনে হতে পারে আপনারা যদি একটু কম হিসেবে চালিয়ে নিতে পারেন তাহলে আপনার জন্য পারফেক্ট হবে.



  • 4)- পাবলিক স্যামসাং গ্যালাক্সি M32/ আমাদের লিস্টের চতুর্থ ফোন এটি এই ফোনটির বাজার মূল্য মাত্র 23 হাজার টাকা। যেটা 6gb রেম এবং 128gb রম ভেরিয়েন্ট পাবেন এবং ব্ল্যাক কালারে বর্তমান সময়ে এই ফোনটা নিয়ে অনেক ফুটেছে বাজারে পার্সোনালি এই ফোনটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে কেননা গ্যালাক্সির সুপার এমোলেড ডিসপ্লে যে কারোরই মন কেড়ে নিতে পারে তাছাড়া এই ফোনটিতে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও g80. যেটা তৈরি করা হয়েছে 12 ন্যানোমিটার টেকনোলজি প্রযুক্তিতে. এই ফোনটা তে আপনারা পাবেন 128gb ফোন মেমোরি যেটার ভার্সন হচ্ছে u.f.a. 2.2 যেটি আপনারা কম্পিউটারে এসএসডি লাগালে যেমন ঠিক সেরকম স্পিড পাবেন এই রকম রমে তাছাড়া এই ফোনটিতে আপনারা বিশাল একটি লাউড স্পিকার পেয়ে যাবেন সেটার কোয়ালিটি পার্সোনালি আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে তাছাড়া এটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর সেটা হচ্ছে পিছনে ব্যাকসাইড আপনারা পাবেন তবে এই ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর স্পিড টা আমার কাছে খুবই কম মনে হয়েছে অন্যান্য ফলের তুলনায় । কেননা এত টাকার একটি ফোনে যদি ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর স্পিড এত কম হয় তাহলে সেটা কিন্তু মানা যায় না এবং এই সেটটিতে আপনারা পাবেন অ্যান্ড্রয়েড ইলেভেন 13.1 ভার্সনের স্যামসাং এর ক্যামেরা সম্পর্কে আশা করি আপনাদেরকে আর বেশি কিছু বলতে হবে না কেননা বর্তমান সময়ে 100 মেগা পিক্সেলের শাওমির ক্যামেরা আর স্যামসাংয়ের মাত্র 20 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দুটি কিন্তু সমান আবার স্যামসাংয়ের 20 মেগাপিক্সেল ক্যামেরার আইফোনের 5 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা অনেক ব্যবধান এইগুলা হচ্ছে ক্যামেরা সেনসর এর কাজ বর্তমান সময়ে স্যামসাং ক্যামেরা ইউজ করেছে এই ফোনটিতে এই সেন্সরটি পেয়ে যাবেন খুব ভালো মানের ফটো এবং ভিডিও করতে পারবেন ফুল এইচডি তে. এবং এই ফোনের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং একটা ব্যাপার।  আমার কাছে মনে হল এই ফোনটিতে lithium-polymer এর 6000mh ননৃ মোবাইল ব্যাটারি ইউজ করা হয়েছে যেটা আপনারা উপরের কোন ফোন গুলোতে পাবেন না যেটা স্যামসাং দিচ্ছে আর স্যামসাংয়ের ফোন কিন্তু এমনিতো আর কিছু বলা লাগবে না খুবই জড়জড় সার্ভিসের স্যামসাংয়ের ফোন টা ছাড় এই ফোনগুলো কিন্তু অনেকদিন টিক সই হয় এছাড়া এই ফোনটি 25 বোর্ডের ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে.... 



সর্বোপরি বলতে চাই এই ফোনটি আপনার কিনবেন কেন এই ফোনটি কিনতে পারেন যাদের অনেক বেশী ব্যাটারি প্রয়োজন অর্থাৎ অনায়াসে দুইদিন মোবাইল চালাতে চান তারা এই ফোনটি নিতে পারেন তাছাড়া এই ফোনটিতে যে প্রসেসর ইউজ করা হয়েছে সেটাই গেমিং এর জন্য একবারে পারফেক্ট যারা পাবজি ফ্রী ফায়ার গেম খেলতে পছন্দ করেন তারা এই ফোনটি নিঃসন্দেহে নিয়ে নিতে পারেন এটা আপনার জন্য খুব চমৎকার একটি ফোন হবে তবে যদি আপনি লং টাইম ইউজ করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে স্ন্যাপড্রাগন নিতে হবে যার আর বলার অপেক্ষা রাখে না....


  • 5/ Oppo F19 হ্যাঁ বন্ধুরা আমরা পাঁচ নাম্বার একটু ব্যতিক্রম ধরনের সাইট নিয়ে কথা বলব কেননা আমরা সবাই কমবেশি শাওমি রিয়েল মি স্যামসাং ভিভো ইত্যাদি ইউজ করিতো অপ ফোন গুলা কি আপনারা অনেকেই বলেন যে অপ ফোন ক্যামেরা এবং মেকআপ বক্স । একটা আসলে তা কিন্তু ঠিক নয় ক্যামেরা ইদানিং অপজিট সমস্ত ফোন বাজারে রিলিজ করছে সেগুলো কিন্তু প্রত্যেকটাই ফ্লাগশিপ ফোন এবং ভালো পারফর্মেন্স দিবি বলে আমি আশা রাখছি তো আমি ইউটিউব দীর্ঘদিন ইউজ করেছি প্রায় এক মাসের মতো আমি ইউজ করেছি ইউজ করে আমার কাছে এই সেটটি খুবই ভালো লেগেছে অন্তত 22 হাজার টাকা বাজেটের মধ্য

এই ফোনটির 128gb এবং 6 জিবি রেম এই ভার্সনটি আপনার মাত্র 20 হাজার টাকায় বর্তমান বাজার মূল্যে পেয়ে যাবেন এই ফোনটিতে ডিসপ্লে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে যেটা হচ্ছে এমোলেড প্যানেল এটার পিক্সেল দেন্সিটি হচ্ছে 409 পিপিআই এবং এর রেজুলেশন হচ্ছে হাজার 1080 গুণ 2400 Pixel. 


এই ফোনটির ব্ল্যাক জিভান শন্টি আছে সেই ফোনটি আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে এবং মিডনাইট ব্লুয়ে আরেকটি ভেরিয়েন্ট আছে ওই ব্রেইনটা মোটামুটি হ্যান্ডি এটা Phone এই ফোনটি হাতে নিলে সত্যিই অসাধারণ প্রিমিয়াম পাবেন এই ফোনটি হাতে ধরে এবং এই ফোনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফিচার নিয়ে আপনাদের সামনে এসেছে. তাছাড়া এই ফোনটি কিন্তু চালিয়ে আমরা আরো বেশি মজা পেয়েছি কারণ এর রিফ্রেশ রেট এর স্কিনে 90Hrg হার্জ রিফ্রেশ রেট ইউজ করা হয়েছে যেটা আপনারা খুবই স্পিড পাবেন ফোনটিতে 16 মেগাপিক্সেল এর সনি সেন্সরের একটি প্রাইমারি ক্যামেরা ইউজ করা হয়েছে এবং এটা দিয়ে আপনারা প্রায় হাজার আশি ফুল এইচডি ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন তাছাড়া এখানে ইউজ করা হয়েছে 5000mh এর non-removable বিশাল একটি ব্যাটারি । এছাড়া এই ফোনটির আরেকটি চমৎকার ফিচার রয়েছে এই ফোনটির 300 ওয়ার্ড এর সুপার ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে মাত্র 30 মিনিট আপনাকে ফোনটা ফুল চার্জ করে দিতে পারবে এবং এই ফোনটিতে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন 662 যেটা কিনা ইলেভেন ন্যানোমিটার টেকনোলজিতে তৈরি করা হয়েছে এছাড়া আপনারা এই ফোনটিতে পাবেন একটি ইন স্কিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর যেটা অপটিক্যাল ভার্শন


ফোনটা কিন্তু সত্যিই আমার কাছে উপরে চারটা ফোনের থেকে সবচেয়ে বেশি হিন্দি এবং প্রিমিয়াম বিল দিতে পেরেছে এছাড়া এই ফোনটির ভিতরে আপনার 6gb রেম পেয়ে যাবেন আফ্রিদি মাল্টিটাস্কিং করতে পারবেন তাছাড়া আমার পার্সোনাল অপিনিওন হচ্ছে যারা দীর্ঘদিন লাস্টিং অবস্থায় একটা ফোন চালাতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর নিতে হবে । আর যদি আপনি গেমিং করেন এক বছরের মতো তাহলে আপনি নির্দ্বিধায় মিডিয়াটেক নিতে পারেন মিডিয়াটেক হচ্ছে আপনাকে খুবই ভালো পারফর্মেন্স দিবে কিন্তু আপনার সেটা বেশিদিন টিকবে না এর বিপরীতে যদি আপনি স্ন্যাপড্রাগন এর কোন ফোন ইউজ করেন সেটা অনেক দিন লাস্টিং করবে বলে আমরা আশা রাখছি কেননা আমি এতদিন যতগুলো ফোন ব্যবহার করেছি এগুলোর ভীতর স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর ছিল সেইগুলা কিন্তু এখন পর্যন্ত স্টিল নতুনের মতই ওয়র্কিং করছে কিন্তু মিডিয়া থেকে ফোন গোলাম বছর 6 মাস গেলে কিন্তু অটোমেটিক চালু হয়ে যায় এবং কাজের অযোগ্য হয়ে যায়


ধন্যবাদ আজকের পোষ্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য


 আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক থ্যাংক ইউ আপনার এত মনোযোগ সহকারে সম্পন্ন পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছেন আপনারা যদি 10 থেকে 15 হাজার টাকা বাজেটের যেকোনো পাঁচটি ফোন রিভিউ দেখতে চান তাহলে অবশ্যই আপনারা আমাদের এই ব্লগের অন্যান্য রিসেন্ট পস্ট গুলা চেক করবেন তাহলে আশাকরি বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ 


আসসালামু আলাইকুম.

Post a Comment

Previous Post Next Post

Ads in post 4

Ads in post 5